উখিয়া নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২/০১/২০২৫ ৭:৩২ এএম

পাসপোর্ট তৈরি করতে আসা কক্সবাজারের আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে মায়ানমারের নাগরিক দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্টরা জানতে পারেন, দুজনই মায়ানমারের নাগরিক।

এরপর দুজনকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
আরো পড়ুন

আটক দুই রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের (ক্যাম্প-৪) সি ব্লকের বাসিন্দা। এর মধ্যে একজন ১৬ বছরের কিশোরী। অপরজন কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা আয়ুব খানের মেয়ে মারজানা বিবি প্রকাশ মরিয়াম বিবি (২২)।

এ সময় তাদের দুজনের কাছে পাসপোর্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া বিভিন্ন কাগজপত্র, তিনটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), কক্সবাজার পৌরসভার জাতীয়তা সনদপত্র, কক্সবাজার পৌরসভার প্রত্যয়নপত্র, পৌর করের বিল, জমির খতিয়ান, জাতিসংঘের ইউএনএইচআর প্রদত্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের দেওয়া দুটি স্মার্টকার্ড উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস খান বলেন, দালালের মাধ্যমে এই দুই রোহিঙ্গা তরুণী বাংলাদেশি সেজে পাসপোর্ট তৈরি করে মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এর পেছনে কারা জড়িত, পাসপোর্ট তৈরির কাগজপত্র কারা জোগাড় করে দিলেন, তার অনুসন্ধান করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে দুই রোহিঙ্গা নারীকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার দুই রোহিঙ্গা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, তারা মিয়ানমারের নাগরিক, দালালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে তাঁরা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।

কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন বলেন, বাংলাদেশি এনআইডি কার্ড নিয়ে রোহিঙ্গারা পাসপোর্টের জন্য আবেদন নিয়ে আসেন। কাগজপত্র যাচাই বাছাইকালে রোহিঙ্গা প্রমাণিত হওয়ার আগে তারা সরে পড়েন।

পাসপোর্ট কার্যালয়টি দালালমুক্ত ঘোষণা দিয়ে ফটকে একাধিক ব্যানার টাঙানো থাকলেও বাস্তবে দালালমুক্ত হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাঠকের মতামত

 

টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ ...

অপহরণ-সন্ত্রাসে জনশূন্য জুম্মাপাড়া, আতঙ্কে ঘরছাড়া ২০০ পরিবার

রহমত উল্লাহ • কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অপহরণ আতঙ্ক বিরাজ ...

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণের উদ্যোগে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...